তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে দুইটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার। এ্যাঙ্গোলা থেকে এলএনজি নিয়ে ‘লবিটো’ ট্যাংকারটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) দেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। ২৭ হাজার ৩৬৩ টন ডিজেল নিয়ে ‘নেভী সিয়েলো’ নামের আরেকটি ট্যাংকারও এসেছে দেশে। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে রবিবার (১৯ এপ্রিল) আসবে ‘গোল্ডেন হোরাইজন’ নামের আরেকটি ট্যাংকার।
এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক লাখ ৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে তিনটি ফুয়েল মাস্টার ট্যাংকার। এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি ও এমটি লিয়ান সং হু —এই তিনটি ট্যাংকার তিনটিতে করে আসে এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি।
এদিকে আগামী ২০-২১ এপ্রিলের দিকে প্রায় ৬৬ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ এবং ‘এমটি হাফনিয়া চিতা’ নামের দুইটি ট্যাংকার।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই পর্যন্ত ক্রুড অয়েল, এলপিজি, এলএনজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে এসেছে অন্তত অর্ধশতাধিক জাহাজ।
এদিকে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি পরিদর্শনে এসে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে। দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে এবং সরকার জুন মাসের জ্বালানি মজুদের চেষ্টা করছে। ছাড়াও বিভিন্ন উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ায় এবং তারই ধারাবাহিকতায় জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে ধীরে ধীরে সঙ্কট কেটে যাবার আশা করছেন জ্বালানি সংশ্লিষ্টরা।