টেক্সাসের হিউস্টনে ফুটবলপ্রেমীরা মেতে উঠতে যাচ্ছেন এক ক্লাসিক দ্বৈরথের রোমাঞ্চে, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও এশিয়ার পাওয়ারহাউস জাপান।
তবে এই ম্যাচে মূল লড়াইটা শুধু মাঠের তারকাদের পায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা রূপ নেবে দুই ডাগআউটের মাস্টারমাইন্ডদের রণকৌশলের এক তুমুল যুদ্ধে। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে দুই কোচের নিখুঁত ছক ও পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।
সেলেসাওদের প্রধান রণকৌশল আবর্তিত হবে তাদের শক্তিশালী মাঝমাঠকে কেন্দ্র করে। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হোল্ডে রেখে খেলার গতি নির্ধারণের দায়িত্ব থাকবে ব্রুনো গিমারায়েস ও কাসেমিরোর কাঁধে।
সেলেসাওদের প্রধান রণকৌশল আবর্তিত হবে তাদের শক্তিশালী মাঝমাঠকে কেন্দ্র করে। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হোল্ডে রেখে খেলার গতি নির্ধারণের দায়িত্ব থাকবে ব্রুনো গিমারায়েস ও কাসেমিরোর কাঁধে।
এই দুই মিডফিল্ডার মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ সাজানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে ফাঁকফোকর খোঁজার চেষ্টা করবেন। আর সেই সুযোগগুলোকে স্ট্রাইকারদের জন্য রূপান্তর করতে সংযোগকারী হিসেবে খেলবেন লুকাস পাকেতা।
পাকেতার মূল কাজই হবে মাঝমাঠ ও ফরোয়ার্ড লাইনের মধ্যকার শূন্যস্থানগুলো ভরাট করে ছোট ছোট পাসে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মাথেউস কুনহাকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের পেছনে বল জোগানো। ব্রাজিলের আরেকটি ভয়ঙ্কর অস্ত্র হলো মুহূর্তের মধ্যে খেলার গতি বদলে দেওয়া।
তারা দীর্ঘ সময় ধরে ধীরলয়ে বল পাস করে প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে টেনে আনবে এবং ঠিক পরক্ষণেই চোখের পলকে দ্রুতগতির পাসে আক্রমণ শাণিয়ে ডিফেন্স চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে চাইবে।
অন্যদিকে ব্লু সামুরাইদের কোচ হাজিমে মরিয়াসু ব্রাজিলের এই আক্রমণভাগকে রুখতে সাজাচ্ছেন এক দুর্ভেদ্য রক্ষণব্যূহ। জাপান সম্ভবত তিন সেন্টার-ব্যাকের ফর্মেশনে মাঠে নামবে, যেখানে পুরো রক্ষণভাগকে লিড দেওয়ার গুরুদায়িত্ব থাকবে অভিজ্ঞ তাকেহিরো তোমিয়াসুর ওপর।
অন্যদিকে ব্লু সামুরাইদের কোচ হাজিমে মরিয়াসু ব্রাজিলের এই আক্রমণভাগকে রুখতে সাজাচ্ছেন এক দুর্ভেদ্য রক্ষণব্যূহ। জাপান সম্ভবত তিন সেন্টার-ব্যাকের ফর্মেশনে মাঠে নামবে, যেখানে পুরো রক্ষণভাগকে লিড দেওয়ার গুরুদায়িত্ব থাকবে অভিজ্ঞ তাকেহিরো তোমিয়াসুর ওপর।
জাপানের প্রাথমিক পরিকল্পনা হবে নিজেদের অর্ধে জমাট রক্ষণ গড়ে তুলে ব্রাজিলকে মাঠের দুই প্রান্ত বা উইং দিয়ে খেলতে বাধ্য করা। সেলেসাওদের আক্রমণ যখন একদিকে ঘনীভূত হবে, ঠিক তখনই অন্য প্রান্ত থেকে আচমকা প্রেস করে ব্রাজিলের আক্রমণের চেনা ছন্দটা পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়াই হবে জাপানিদের মূল লক্ষ্য।
রক্ষণ সামলানোর পর জাপানের আসল শক্তি ফুটে উঠবে তাদের ক্ষিপ্রগতির পাল্টা আক্রমণে। ব্রাজিলের ফুল-ব্যাকরা যখন আক্রমণে উঠে আসবে, তখন তাদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা জায়গাগুলোকে পাখির চোখ করবেন রিতসু দোয়ান ও দাইজেন মায়েদা।
রক্ষণ সামলানোর পর জাপানের আসল শক্তি ফুটে উঠবে তাদের ক্ষিপ্রগতির পাল্টা আক্রমণে। ব্রাজিলের ফুল-ব্যাকরা যখন আক্রমণে উঠে আসবে, তখন তাদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা জায়গাগুলোকে পাখির চোখ করবেন রিতসু দোয়ান ও দাইজেন মায়েদা।
বিশেষ করে মায়েদা তাঁর গতিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের পেছনে দৌড়াবেন, আর দোয়ান বল পেলেই এক ঝটকায় ট্রানজিশন বাড়িয়ে ব্রাজিলের ডেরায় আঘাত হানবেন। বল পজেশন ধরে রেখে মাঝমাঠের আধিপত্যে ম্যাচ জেতার লাতিন ঘরানা বনাম সুশৃঙ্খল রক্ষণ ও কাউন্টার অ্যাটাকের এশিয়ান কৌশলের এই মহাযুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কার মুখে হাসি ফোটায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।