পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নেমেই ফুটবল সম্রাট পেলের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন তিনি। তবে সেই বিশ্বরেকর্ড গড়ার রেশ কাটতে না কাটতেই ১৯ বছর বয়সি তরুণ উইঙ্গার রায়ান মেতে উঠেছেন নতুন এক ‘হোমওয়ার্ক’ নিয়ে।
আজ রাতে টেক্সাসের হিউস্টনে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জাপানের মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা। আর এই অগ্নিপরীক্ষার আগে প্রতিপক্ষ ব্লু সামুরাইদের শক্তি ও দুর্বলতা খুঁটিয়ে দেখতেই এখন ব্যস্ত বোর্নমাউথের এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে জাপানি টেলিভিশনের এক সাংবাদিকের প্রশ্নে বেশ মজার এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন এই তরুণ তুর্কি। যখন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় জাপানের সেরা খেলোয়াড় কে, তখন কিছুটা অপ্রস্তুত হয়েই হেসে ফেলেন রায়ান। কোনো লুকোছাপা না করে অকপটে তিনি স্বীকার করেন, 'ফ্রেন্ড, সত্যি বলতে আমি জানি না তাদের সেরা খেলোয়াড় কে।
ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে জাপানি টেলিভিশনের এক সাংবাদিকের প্রশ্নে বেশ মজার এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন এই তরুণ তুর্কি। যখন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় জাপানের সেরা খেলোয়াড় কে, তখন কিছুটা অপ্রস্তুত হয়েই হেসে ফেলেন রায়ান। কোনো লুকোছাপা না করে অকপটে তিনি স্বীকার করেন, 'ফ্রেন্ড, সত্যি বলতে আমি জানি না তাদের সেরা খেলোয়াড় কে।
ভিডিও অ্যানালিসিস দেখার পরই কেবল এটি বলতে পারব।' প্রতিপক্ষকে নিয়ে এমন সরল স্বীকারোক্তি দিলেও জাপানকে কিন্তু বিন্দুমাত্র হালকাভাবে নিচ্ছেন না তিনি। তাঁর মতে, জাপান অত্যন্ত শক্তিশালী দল এবং তাদের হারাতে হলে ব্রাজিলকে মাঠের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে।
হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে দলের অভিজ্ঞ তারকা রাফিনিয়া হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়লে আচমকাই কপাল খোলে রায়ানের। বদলি হিসেবে নেমে নজর কাড়ার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে জায়গা করে নেন তিনি। আর মাঠে নেমেই বাজিমাত! ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলের উৎস তৈরি করেন তিনি।
হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে দলের অভিজ্ঞ তারকা রাফিনিয়া হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়লে আচমকাই কপাল খোলে রায়ানের। বদলি হিসেবে নেমে নজর কাড়ার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে জায়গা করে নেন তিনি। আর মাঠে নেমেই বাজিমাত! ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলের উৎস তৈরি করেন তিনি।
এই দুর্দান্ত অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলের পর ব্রাজিলের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে অ্যাসিস্ট করার অনন্য কীর্তি গড়েন রায়ান। একই সঙ্গে ১৯৭০ সালের পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া সবচেয়ে তরুণ ফুটবলারও এখন তিনি।
তবে শুধু আক্রমণভাগেই নয়, কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে রক্ষণভাগেও নিজেকে উজার করে দিচ্ছেন রায়ান। আনচেলত্তির রণকৌশল নিয়ে এই তরুণ ফরোয়ার্ড জানান, কোচ সবসময় মনে করিয়ে দেন যে দলের রক্ষণভাগ মূলত ফরোয়ার্ডদের দিয়েই শুরু হয়। যতই ক্লান্তি আসুক না কেন, মাঠে একটানা প্রেসিং চালিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ রয়েছে কোচের।
তবে শুধু আক্রমণভাগেই নয়, কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে রক্ষণভাগেও নিজেকে উজার করে দিচ্ছেন রায়ান। আনচেলত্তির রণকৌশল নিয়ে এই তরুণ ফরোয়ার্ড জানান, কোচ সবসময় মনে করিয়ে দেন যে দলের রক্ষণভাগ মূলত ফরোয়ার্ডদের দিয়েই শুরু হয়। যতই ক্লান্তি আসুক না কেন, মাঠে একটানা প্রেসিং চালিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ রয়েছে কোচের।
নিজের খেলায় উন্নতির কথা জানিয়ে রায়ান বলেন, এখন তিনি ডিফেন্সে অনেক বেশি অবদান রাখছেন, কারণ বিশ্বকাপের এই নকআউট পর্বে একটি ছোট ভুলও পুরো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, পেলের রেকর্ড ভাঙা এই বিস্ময় বালক আজ রাতে জাপানের জমাট রক্ষণ ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের নায়ক হতে পারেন কিনা।