ফুটবল বিশ্বে বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র—এই আপ্তবাক্যটিকে যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিলা এবং বর্তমান বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।
১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ৩৮ বছর বয়সী রজার মিলা গোল করে এবং কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে তার সেই আইকনিক নাচে বিশ্বকে বিমোহিত করেছিলেন।
৩৬ বছর পর সেই একই আমেরিকার মাটিতে ৪০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে নেমে ভোজিনিয়া তার অবিশ্বাস্য সব সেভ দিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
রজার মিলার গল্পটি ছিল গোল উৎসবের। ১৯৯০ আসরে চার গোল করে তিনি ক্যামেরুনকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিলেন, যা আজও বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়।
রজার মিলার গল্পটি ছিল গোল উৎসবের। ১৯৯০ আসরে চার গোল করে তিনি ক্যামেরুনকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিলেন, যা আজও বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়।
৪২ বছর বয়সে রাশিয়ার বিপক্ষে গোল করে তিনি গড়েছিলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতার রেকর্ড, যা আজও অটুট। অন্যদিকে, ভোজিনিয়ার গল্পটি প্রতিরোধের। ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দের গোলরক্ষক হিসেবে তিনি মাঠের ভেতর বারবার নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।
যদিও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দল পরাজিত হয়েছে, কিন্তু তার প্রতিটি দুর্দান্ত সেভ দেশটির প্রতিটি মানুষের মনে নতুন স্বপ্ন বুনে দিয়েছে।
ফুটবল বিশ্বে সাধারণত বয়সের ভারে অনেক তারকাই হারিয়ে যান, সেখানে মিলা ও ভোজিনিয়া দেখালেন যে শরীরের বয়স বাড়লেও স্বপ্নের কোনো বয়স হয় না।
ফুটবল বিশ্বে সাধারণত বয়সের ভারে অনেক তারকাই হারিয়ে যান, সেখানে মিলা ও ভোজিনিয়া দেখালেন যে শরীরের বয়স বাড়লেও স্বপ্নের কোনো বয়স হয় না।
বিশ্বকাপের মঞ্চে একদিকে যেমন ১৮ বছরের বিস্ময়বালকের জন্ম হয়, তেমনি রজার মিলা ও ভোজিনিয়ার মতো যোদ্ধারা প্রমাণ করেন যে, ইচ্ছাশক্তি থাকলে শেষ বয়সেও বড় মঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা সম্ভব।
তারা দুজনেই একই গল্পের ভিন্ন দুই অধ্যায়ের মতো—যারা বৈশ্বিক তারকা হওয়ার নেশায় বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজেদের অমর করে রেখেছেন।