গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ঘাগোয়া (মহুরীপাড়া) গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে আয়নাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও আহতের পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৬ জুন (শুক্রবার) রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় আয়নাল হোসেন বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাশেদসহ ৩–৪ জন ব্যক্তি লাঠি, লোহার রড ও ধারালো ছোড়া নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা আয়নালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তার একটি হাত ভেঙে যায় এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তার পকেট থেকে নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রায় ২২ হাজার টাকা মূল্যের একটি ভিভো অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন তার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের পূর্ব শত্রুতা চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র ও আহতের পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৬ জুন (শুক্রবার) রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় আয়নাল হোসেন বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাশেদসহ ৩–৪ জন ব্যক্তি লাঠি, লোহার রড ও ধারালো ছোড়া নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা আয়নালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তার একটি হাত ভেঙে যায় এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তার পকেট থেকে নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রায় ২২ হাজার টাকা মূল্যের একটি ভিভো অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন তার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের পূর্ব শত্রুতা চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।