বরিশাল নগরীর অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেডের কার্যালয়ে ঢুকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে মারধর করে অণ্ডকোষ চেপে ধরে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
২৭ জুন সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ও তার সহযোগী আবুল কালামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, লিটু যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তার কোনো পদ-পদবি নেই।
এদিকে ভাইরাল হওয়া ৪ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এমডি আব্দুল আজিজ তার অফিস কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি প্রবেশ করেন। এরপর হঠাৎ করে তাকে মারধর, ধস্তাধস্তি এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে অঝোরে কেঁদে ফেলেন। তিনি দাবি করেন, অফিসে ঢুকে তাকে মারধর করা হয় এবং অণ্ডকোষ চেপে ধরে শ্বাসরোধের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়ে তিনি সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, একসময় মোস্তাফিজুর রহমান তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পরে হিসাব নিষ্পত্তির মাধ্যমে সম্পর্ক শেষ হলেও পরবর্তীতে তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তার।
ঘটনার পর ব্যাংকে অভিযোগ জানানো হলে ওই চেক থেকে টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। পরে আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের একপর্যায়ে তাকে একাধিকবার চড় মারা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পুরো ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জানান, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় পুরো নগরীতে চরম আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার দুপুরে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, লিটু যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তার কোনো পদ-পদবি নেই।
এদিকে ভাইরাল হওয়া ৪ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এমডি আব্দুল আজিজ তার অফিস কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি প্রবেশ করেন। এরপর হঠাৎ করে তাকে মারধর, ধস্তাধস্তি এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে অঝোরে কেঁদে ফেলেন। তিনি দাবি করেন, অফিসে ঢুকে তাকে মারধর করা হয় এবং অণ্ডকোষ চেপে ধরে শ্বাসরোধের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়ে তিনি সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, একসময় মোস্তাফিজুর রহমান তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পরে হিসাব নিষ্পত্তির মাধ্যমে সম্পর্ক শেষ হলেও পরবর্তীতে তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তার।
ঘটনার পর ব্যাংকে অভিযোগ জানানো হলে ওই চেক থেকে টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। পরে আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের একপর্যায়ে তাকে একাধিকবার চড় মারা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পুরো ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জানান, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় পুরো নগরীতে চরম আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।