ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে এক সপ্তাহের শোক কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ কোম, মাশহাদ এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় একাধিক শোক ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হওয়ার পর খামেনির দাফনকে ঘিরে লাখো মানুষের সমাগমের পরিকল্পনা করেছে ইরান সরকার। এর মাধ্যমে দেশটির নেতৃত্ব ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের ঐক্য ও সমর্থনের বার্তা দিতে চায়।
শোক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সরকার বিভিন্ন বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। শোকযাত্রীদের জন্য হোটেলে ছাড়, গণপরিবহনে বিশেষ সেবা এবং স্কুল, মসজিদ ও ক্রীড়া কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
শনিবার তেহরানের একটি মসজিদ থেকে খামেনির মরদেহ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের শেষযাত্রা শুরু হবে। একই ঘটনায় নিহত পরিবারের সদস্যদেরও একসঙ্গে শেষ বিদায় জানানো হবে বলে জানা গেছে।
পরবর্তী দিনগুলোতে তেহরান, কোম এবং ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এই শোকানুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও সমর্থনের বড় প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির অর্থনৈতিক সংকট, নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সমাজের একটি অংশে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে।
এদিকে দাফনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে এবং কয়েকটি শহরে আকাশসীমায় সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য হামলার জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হওয়ার পর খামেনির দাফনকে ঘিরে লাখো মানুষের সমাগমের পরিকল্পনা করেছে ইরান সরকার। এর মাধ্যমে দেশটির নেতৃত্ব ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের ঐক্য ও সমর্থনের বার্তা দিতে চায়।
শোক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সরকার বিভিন্ন বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। শোকযাত্রীদের জন্য হোটেলে ছাড়, গণপরিবহনে বিশেষ সেবা এবং স্কুল, মসজিদ ও ক্রীড়া কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
শনিবার তেহরানের একটি মসজিদ থেকে খামেনির মরদেহ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের শেষযাত্রা শুরু হবে। একই ঘটনায় নিহত পরিবারের সদস্যদেরও একসঙ্গে শেষ বিদায় জানানো হবে বলে জানা গেছে।
পরবর্তী দিনগুলোতে তেহরান, কোম এবং ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এই শোকানুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও সমর্থনের বড় প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির অর্থনৈতিক সংকট, নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সমাজের একটি অংশে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে।
এদিকে দাফনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে এবং কয়েকটি শহরে আকাশসীমায় সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য হামলার জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইরান।