ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও একসঙ্গে দাফন করা হবে। শুক্রবার (৩ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রাত থেকেই খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বড় পরিসরে শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত খামেনির পরিবারের একাধিক সদস্যকেও তার সঙ্গে দাফন করা হবে। তাদের মধ্যে রয়েছেন তার মেয়ে, পুত্রবধূ, জামাতা এবং তিন বছর বয়সী এক নাতনি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব ইউরোপীয় দেশ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছিল, তাদের রাষ্ট্রীয় জানাজায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
কয়েকদিনব্যাপী চলা এই রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক স্মরণসভা শুরু হবে। এরপর শোকযাত্রা ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহর হয়ে ইরানের মাশহাদে পৌঁছাবে। মাশহাদেই খামেনির শেষ দাফন ও স্মরণানুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।