Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / কিশোরগঞ্জ / কিশোরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ঘিরে অনিয়ম অভিযোগ - chief tv

কিশোরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ঘিরে অনিয়ম অভিযোগ - chief tv

2026-06-29  ডেস্ক রিপোর্ট  30 views
কিশোরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ঘিরে অনিয়ম অভিযোগ - chief tv
কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী গ্রেনেট বাবুর বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণ এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
 
প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের রেশ না কাটতেই এবার তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের নতুন অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চেয়ারম্যান ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্পের অর্থ ব্যবহার করে পরিষদের জায়গায় চারটি দোকান নির্মাণ করেন। এরপর দোকানগুলোর প্রতিটি থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জামানত গ্রহণ করেন তিনি।
 
পাশাপাশি প্রতি দোকান থেকে মাসে ২ হাজার টাকা করে মোট ৮ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করা হলেও সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজের পকেটে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে রংপুর-নীলফামারী সড়কের পাশে ইউনিয়ন পরিষদের জমিতে এই চারটি দোকান নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সরকার নিয়ম অনুযায়ী কোনো স্থাপনা নির্মাণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং সকল অর্থ পরিষদের হিসাবে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক সদস্য অভিযোগ করে বলেন, দোকানগুলোর জামানত ও ভাড়ার পুরো অর্থ চেয়ারম্যান নিজেই নিয়েছেন এবং পরিষদের কোনো নথিতে এসব অর্থের কোনো রেকর্ড নেই। তাদের দাবি, এতে প্রায় ১২ লাখ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, তার আগমনের আগেই দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে এবং জামানত ও ভাড়ার কোনো হিসাব পরিষদের কাছে নেই। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, দোকান ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে জামানত ও মাসিক ভাড়ার টাকা চেয়ারম্যানের লোকজনই গ্রহণ করতেন। তবে এসব অর্থ কোথায় জমা হয়েছে, সে বিষয়ে পরিষদের কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

 

Share: