বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পৈতৃক জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত স্থানীয় জামায়াত নেতা সম্রাট আকন্দ পাপ্পা (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত ৪ জুলাই রাতে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সম্রাট আকন্দ পাপ্পা দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ভেলুরচক গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন দুপুরে পৈতৃক জমির পরিমাপ নিয়ে চাচা আব্দুল করিমের সঙ্গে সম্রাটের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল করিম দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এতে সম্রাট, তার বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা জোসনা বেগম গুরুতর আহত হন।
আহতদের প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সম্রাটের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গত ২৮ জুন সম্রাটের মা বাদী হয়ে তার চাচা আব্দুল করিমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মিথিলা আক্তারকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান সম্রাটের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত অবস্থায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহত সম্রাট আকন্দ পাপ্পা দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ভেলুরচক গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন দুপুরে পৈতৃক জমির পরিমাপ নিয়ে চাচা আব্দুল করিমের সঙ্গে সম্রাটের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল করিম দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এতে সম্রাট, তার বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা জোসনা বেগম গুরুতর আহত হন।
আহতদের প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সম্রাটের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গত ২৮ জুন সম্রাটের মা বাদী হয়ে তার চাচা আব্দুল করিমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মিথিলা আক্তারকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান সম্রাটের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত অবস্থায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।