দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। এবারের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জিডিপির সাড়ে ৩ শতাংশ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই চাহিদার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখার স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন, যা পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
বিশেষ এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষা খাতের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নিয়েছেন জানিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত ২০২২ সালের পর থেকে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসরের টাকা দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এই খাত থেকে ইতোপূর্বে কয়েক হাজার কোটি টাকা তছরুপ বা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
বিশেষ এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষা খাতের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নিয়েছেন জানিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত ২০২২ সালের পর থেকে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসরের টাকা দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এই খাত থেকে ইতোপূর্বে কয়েক হাজার কোটি টাকা তছরুপ বা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তবে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের জন্য আশার বাণী শুনিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক মাসের মধ্যে একটি বিশেষ ‘থোক বরাদ্দ’ থেকে শিক্ষকদের বন্ধ থাকা কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসরকালীন ভাতা পুনরায় চালু করা হবে। সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের আর্থিক ও সামাজিক সংকট দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।