বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ লাল টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। সফল এই অভিযানের সময় আসামিদের কাছ থেকে চুরি হওয়া তামার তারও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলাম। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চুরি করা মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের তামার তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনাটি ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও গুরুত্ব বিবেচনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।
সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনাটি ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও গুরুত্ব বিবেচনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।
ঘটনার সংবেদনশীলতা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র নিজের অপরাধ স্বীকার করে জানান যে, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি কৌশলে ওই লাল টেলিফোনের তার চুরি করেছিলেন। পরবর্তীতে গত ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে অবস্থিত একটি ভাঙারির দোকানে তিনি সেই চোরাই তামার তার বিক্রি করে দেন। রঞ্জনের দেওয়া এই তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসি তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র নিজের অপরাধ স্বীকার করে জানান যে, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি কৌশলে ওই লাল টেলিফোনের তার চুরি করেছিলেন। পরবর্তীতে গত ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে অবস্থিত একটি ভাঙারির দোকানে তিনি সেই চোরাই তামার তার বিক্রি করে দেন। রঞ্জনের দেওয়া এই তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসি তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডের একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া সমস্ত তার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সিটিটিসি ধারণা করছে, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি বড় ধরনের সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে এবং এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।