দেশের প্রিপেইড বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ ও আর্থিক চাপ দূর করতে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ লাঘব হবে এবং গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের বড় একটি বাড়তি খরচ কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার বিএনপি মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অফিশিয়াল মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজ থেকেও একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রমে জনদুর্ভোগ লাঘবকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় আর্থিক স্বস্তি।
এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আভাস দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজ মিটারে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হতো গ্রাহকদের।
এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আভাস দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজ মিটারে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হতো গ্রাহকদের।
এসব চার্জের সাথে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত থাকায় প্রতি মাসের বিদ্যুৎ বিলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর একটি বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছিল এবং এটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছিল। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তটি কার্যকর হওয়ায় বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকেরা সবচেয়ে বেশি লাভবান ও স্বস্তিতে থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে।