ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেগে ভেঙে পড়লেন দলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র।
শেষ বাঁশি বাজতেই মাঠে বসে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি। সতীর্থরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হতাশা যেন কিছুতেই কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি করেন নেইমার। তবে সেই গোল পরাজয় ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ম্যাচ শেষে জিই টিভিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় আবেগঘন কণ্ঠে নেইমার বলেন, তিনি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই তার পথচলা শুরু হয়েছিল, আর সেখানেই যেন সবকিছুর সমাপ্তি হলো।
তার এই বক্তব্যকে অনেকেই ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ অধ্যায়ের সমাপ্তির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি এই তারকা।
২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তৎকালীন কোচ মানো মেনেজেসের অধীনে প্রথমবার ব্রাজিল জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। সেই স্মৃতির প্রসঙ্গ টেনেই বিদায়ের মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন তিনি।
এটি ছিল নেইমারের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—চারটি বিশ্বকাপ খেলেও শিরোপার স্বাদ পাওয়া হলো না তার। ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ট্রফিটি অধরাই থেকে গেল এই তারকা ফরোয়ার্ডের।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নেইমার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ২০২৬ আসরই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর তার চোখের জল শুধু একটি ম্যাচে পরাজয়ের বেদনা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার প্রতিচ্ছবি বলেই মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
ম্যাচ শেষে জিই টিভিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় আবেগঘন কণ্ঠে নেইমার বলেন, তিনি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই তার পথচলা শুরু হয়েছিল, আর সেখানেই যেন সবকিছুর সমাপ্তি হলো।
তার এই বক্তব্যকে অনেকেই ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ অধ্যায়ের সমাপ্তির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি এই তারকা।
২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তৎকালীন কোচ মানো মেনেজেসের অধীনে প্রথমবার ব্রাজিল জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। সেই স্মৃতির প্রসঙ্গ টেনেই বিদায়ের মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন তিনি।
এটি ছিল নেইমারের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—চারটি বিশ্বকাপ খেলেও শিরোপার স্বাদ পাওয়া হলো না তার। ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ট্রফিটি অধরাই থেকে গেল এই তারকা ফরোয়ার্ডের।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নেইমার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ২০২৬ আসরই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর তার চোখের জল শুধু একটি ম্যাচে পরাজয়ের বেদনা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার প্রতিচ্ছবি বলেই মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।