লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মো. শরীফ নামে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্র গত ১১ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ১৭ জুন সকালে উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে আর ফিরে আসেনি।
দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানের কোনো সন্ধান না পেয়ে কমলনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মা মোফাশেরা বেগম।
নিখোঁজ শরীফ স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং ওই এলাকার রিকশাচালক করিম চৌধুরীর ছেলে। আজ রোববার (২৮ জুন) সকাল পর্যন্ত আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ শরীফের মা মোফাশেরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ঘটনার দিন ভোরে শরীফ নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দিলে সে দোকান থেকে বিস্কুট কিনে এনে খায় এবং এরপরই বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খুঁজেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শরীফের মা মোফাশেরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ঘটনার দিন ভোরে শরীফ নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দিলে সে দোকান থেকে বিস্কুট কিনে এনে খায় এবং এরপরই বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খুঁজেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শরীফের ভগ্নিপতি মঈন উদ্দিন জানান, দীর্ঘ ১১ দিন ধরে শরীফ নিখোঁজ থাকায় তার শাশুড়ি অনবরত কান্না করে যাচ্ছেন এবং পুরো পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ছেলেটির সন্ধান পান, তবে দ্রুত কমলনগর থানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাউছার আহমেদ জানান, মাদ্রাসাছাত্র শরীফের নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের কোথাও এই শিশুর সন্ধান পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে কমলনগর থানায় জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাউছার আহমেদ জানান, মাদ্রাসাছাত্র শরীফের নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের কোথাও এই শিশুর সন্ধান পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে কমলনগর থানায় জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।