মানিকগঞ্জের সিংগাইরে স্কুলছাত্রী মারিয়া মাহি (১৪) হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে নিহত মারিয়ার সহপাঠী, বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে অংশ নেন। উপস্থিত জনতা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
লোমহর্ষক এই ঘটনার পটভূমি থেকে জানা যায়, গত ১০ জুন সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্ন বিরতির (টিফিন পিরিয়ড) সময় একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির ছাত্র আলিফ ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়ার বিরুদ্ধে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে।
লোমহর্ষক এই ঘটনার পটভূমি থেকে জানা যায়, গত ১০ জুন সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্ন বিরতির (টিফিন পিরিয়ড) সময় একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির ছাত্র আলিফ ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়ার বিরুদ্ধে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে।
এর জের ধরে গত ১৫ জুন স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীকেই বাধ্যতামূলকভাবে স্থানান্তর সনদ (টিসি) দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনার পর থেকেই মারিয়া মাহি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়।
পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে সিংগাইর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পরবর্তীতে গত রোববার বিকেলে উপজেলার চন্দননগর কবরস্থানের পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড় থেকে মারিয়ার বীভৎস ও অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকালে লাশের ওপরের অংশ একটি গাছের ডালে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং কোমরের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরবর্তীতে গত রোববার বিকেলে উপজেলার চন্দননগর কবরস্থানের পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড় থেকে মারিয়ার বীভৎস ও অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকালে লাশের ওপরের অংশ একটি গাছের ডালে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং কোমরের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এই অমানুষিক ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মা কামরুন্নাহার বাদী হয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ এজাহারনামীয় ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও বাকিরা এখনো পলাতক রয়েছে।
আজকের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বাসিন্দা সেখ সোবহান, আমিনুর মৃধা, আবুবকর, উছমান গনি, মাহমুদুল হাসান গোলাপ এবং দেলোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে। বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কোমলমতি স্কুলছাত্রী মারিয়া মাহিকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাতে সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীসহ পুরো মানিকগঞ্জ আজ স্তব্ধ।
আজকের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বাসিন্দা সেখ সোবহান, আমিনুর মৃধা, আবুবকর, উছমান গনি, মাহমুদুল হাসান গোলাপ এবং দেলোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে। বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কোমলমতি স্কুলছাত্রী মারিয়া মাহিকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাতে সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীসহ পুরো মানিকগঞ্জ আজ স্তব্ধ।
এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত মূল হোতা ও পলাতক আসামিদের যদি অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ফাঁসি দেওয়া না হয়, তবে সমাজে অপরাধীদের সাহস আরও বেড়ে যাবে। তারা প্রশাসনের কাছে খুনিদের দ্রুততম সময়ে আইনের মুখোমুখি করার আলটিমেটাম দেন।