ঢাকা সদরঘাট থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পর্যন্ত নৌপথে চলাচলকারী বালিবাহী নৌযানের ওপর এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও ত্রুটি পাওয়ায় ৯টি নৌযানকে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
শনিবার নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ শফিউল বারীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুসিকান্ত হাজং। অভিযান চলাকালীন কর্তাব্যক্তিরা ওই নৌপথে চলাচলকারী ১১টি বালিবাহী নৌযান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পান যে, অধিকাংশ নৌযানের বাস্তব পরিমাপের সঙ্গে তাদের নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত পরিমাপের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে।
পরিদর্শনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পান যে, অধিকাংশ নৌযানের বাস্তব পরিমাপের সঙ্গে তাদের নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত পরিমাপের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে।
এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নৌযানে বাধ্যতামূলক জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং নেভিগেশনাল ইকুইপমেন্টের চরম ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়, যা নৌনিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। আইন অমান্য করে ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ছাড়া নৌযান চালানোয় তাৎক্ষণিকভাবে ৯টি বালিবাহী নৌযানকে অর্থদণ্ডের আওতায় আনা হয়।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ শফিউল বারী জানান, নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিবন্ধনবিহীন, অননুমোদিতভাবে নকশা পরিবর্তন করা এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামবিহীন নৌযানের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের এই তদারকি ও আইনগত ব্যবস্থা কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ শফিউল বারী জানান, নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিবন্ধনবিহীন, অননুমোদিতভাবে নকশা পরিবর্তন করা এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামবিহীন নৌযানের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের এই তদারকি ও আইনগত ব্যবস্থা কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
তিনি নৌযান মালিক ও পরিচালকদের দেশের প্রচলিত সকল বিধি-বিধান মেনে নৌযান পরিচালনার আহ্বান জানান। যাত্রী ও নৌপথ ব্যবহারকারীদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের পরিদর্শন ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।
এই অভিযানকালে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমানসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।