জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায়, সংবিধান অনুযায়ী তারাই সরকার গঠন করে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে নতুন সরকার দায়িত্ব নেবে।
সরকার গঠনের প্রথম ধাপ হলো নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ানো হয়। বেসরকারি ফলাফল প্রকাশের পর গেজেট প্রকাশে কিছু সময় লাগতে পারে, এরপরই শপথের আয়োজন করা হবে।
সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার শপথ পড়ান। তবে স্পিকার না থাকলে রাষ্ট্রপতি এ দায়িত্ব পালনের জন্য অন্য কাউকে মনোনীত করতে পারেন। আর রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ না পড়ালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াবেন।
শপথ গ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা কার্যকর হয়। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে আগের সরকারের কাছ থেকে নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।