ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জন তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। প্রদত্ত মোট ভোটের ন্যূনতম এক–অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। জামানত হারানোদের মধ্যে সাবেক দুই সংসদ সদস্যও রয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনটি আসনেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের মধ্যে। অন্য দলগুলোর প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় ভোট পেতে ব্যর্থ হন।
ঠাকুরগাঁও–১ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ১ লাখ ৪১ হাজার ৭ ভোট। এখানে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাত্র ৩ হাজার ৯৫১ ভোট পাওয়ায় জামানত হারান।
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির আবদুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও সিপিবির প্রার্থীরা রয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও–৩ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এবং জামায়াতের মিজানুর রহমান দ্বিতীয় হন। এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্যসহ মোট আটজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহ জানান, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে এবং তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে।